চেয়ারম্যান ঘাট থেকে হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ঘাটগামী সিট্রাক এলসিটি কাজল কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বুধবার (২৭ মে) সকালে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী এ সিট্রাক।
সিট্রাকে ঝড়ের কবলে পড়া যাত্রীদের একজন এসবি নিশান। যশোরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিশান পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে হাতিয়া দ্বীপে ফিরছিলেন। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে কালবৈশাখী ঝড়ের রুদ্ধশ্বাস ভয়ংকর পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সিট্রাক কর্মীদের অব্যবস্থাপনার বর্ণনা দেন।
এসবি নিশান ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “সকাল ৮.৩০ থেকে ১.৩০। ৫ ঘন্টার দীর্ঘ রুদ্ধশ্বাস ভয়ংকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করে অবশেষে এলসিটি কাজল সিট্রাক নামক মৃত্যুফাঁদ থেকে উদ্ধার হলাম। প্রথমে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে দিক বেদিক হারিয়ে মানুষ যখন সৃষ্টিকর্তাকে ডাকতে ডাকতে দিশেহারা, তখন এলসিটি কাজল নতুন ভয়ংকর সংবাদ দিল তাদের তেল শেষ। মাঝ নদীতে তেল শেষ এবার আমরা নদীতে বড় বড় ডেউয়ের কবলে পড়ে দিশেহারা। তখন তাদের সিট্রাকের ইঞ্জিন চালক,ড্রাইভার সহ স্টাফরা পালিয়ে গেল।
মাঝ নদীতে আমাদের কে ফেলে রেখে তারা অন্য নৌকায় করে পালিয়ে গেল মহা বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে। সকাল ৮.৩০ থেকে আমরা হাজারের বেশি মানুষ বিপদে পড়ে আছি আর তারা কাপুরুষের মত করে আচরণ করলো। কিছুক্ষণ পর তেল আনা হলো এবার বলা হলো ইঞ্জিন নষ্ট। এতগুলো মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার তাদেরকে কে দিয়েছে প্রশাসন তার জবাব নিবেন আশা করি। সর্বশেষ বেক্রুজ সিট্রাকে করে আমাদের কে উদ্ধার করে মৃত্যুর দুয়ার থেকে বাঁচালো। উপজেলা প্রশাসন হাতিয়া আপনার মাধ্যমে ওদের বিচার এবং কঠিন শাস্তি কামনা করছি।”
এ ঘটনায় হাতিয়া উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে,
এলসিটি কাজল নৌযানের সকল যাত্রী নিরাপদে হাতিয়া দ্বীপে অবতরণ করেছে। সিট্রাকের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।









