বর্ষায় ঝুঁকে থাকা গাছের ডালপালা ও পাতা থেকে ঝরা পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়ক। একই সঙ্গে পুরোনো, হেলে পড়া ও মৃতপ্রায় গাছগুলো পথচারী এবং যানবাহনের জন্য দূর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ অবস্থায় নিরাপদ ও টেকসই সড়ক রক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা কর্তনের জন্য নোয়াখালী বন বিভাগকে অনুরোধ জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
সম্প্রতি নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ২০-৮৭৮ নং স্মারকে উপকূলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নোয়াখালী সড়ক বিভাগের আওতাধীন হাতিয়া (ভূঁইয়ারহাট)-জাহাজমারা সড়ক (জেড-১৪৩৯)-এর বিভিন্ন অংশে সড়কের এজিং সংলগ্ন এক মিটারের মধ্যে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা দ্রুত অপসারণ প্রয়োজন। সড়কের দুই পাশে থাকা অনেক গাছই পুরোনো, হেলে পড়া ও মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে এসব গাছের কিছু অংশ ভেঙে পড়ে সড়কের এজিং ও সোল্ডারের ক্ষতি করছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনেক গাছের ডালপালা প্রধান সড়কের ওপর বিস্তৃত হয়ে থাকায় সূর্যালোক সড়কপৃষ্ঠে পৌঁছাতে পারে না। ফলে বৃষ্টির পর ডালপালা ও পাতা থেকে দীর্ঘ সময় পানি ঝরতে থাকে এবং সড়কের বিটুমিনাস সারফেস দীর্ঘক্ষণ স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থায় থাকে। এর ফলে সড়ক পেভমেন্ট দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা পথচারী এবং যানবাহনের স্বাভাবিক ও নিরাপদ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে এবং যেকোনো সময় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
বিষয়টি অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকেও অনুলিপি পাঠিয়েছেন নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফরিদ উদ্দিন।
এদিকে, টেকসই ও নিরাপদ সড়ক গঠনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ-হাতিয়া’।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম আরিফ-উজ-জামান হাতিয়া কন্ঠকে বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুত গাছ মার্কিংয়ের (শনাক্ত) কাজ শুরু হবে।”





