ঢাকা টু হাতিয়া লঞ্চ রুটে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে লঞ্চের কেবিনে ছারপোকা, বৃষ্টির সময় কেবিনের ছাদ ছুয়ে পানি পড়ার অভিযোগ রয়েছে। একাধিক যাত্রী জানিয়েছেন, লঞ্চে অসুস্থ রোগীদের জন্য প্রাথিমক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এই রুটে ফারহান ও তাসরিফ নামে দুটি লঞ্চ নিয়মিত চলাচল করে।
গত ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে হাতিয়াগামী ফারহান-৪ লঞ্চে ভ্রমণ করেছেন আহাদুল হাসান নামে এক যাত্রী। তিনি ও তার পরিবার লঞ্চের ২১৩ ও ২০১ কেবিনে ছিলেন। আহাদুল হাসান হাতিয়া কন্ঠকে বলেন, “হাতিয়ায় এসে অত্যন্ত দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে। রাতে হঠাৎ আম্মু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বুকের বাম পাশে তীব্র ব্যথা, হাত ঝিমঝিম ও শরীর দুর্বল হয়ে যায়। কিন্তু লঞ্চে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা ওষুধ ছিল না।’ এই যাত্রী অভিযোগ করে জানান, “কেবিনের ছারপোকা ও পানি পড়ে বিছানা ভিজে যাওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। ঢাকা টু হাতিয়া রুটের অন্য লঞ্চেরও একই দশা। হাতিয়া দ্বীপের মানুষের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়?”
হুজাইফা কাজল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি সম্প্রতি হাতিয়া থেকে ঢাকা আসার সময় লঞ্চটির একটি কেবিনে ছিলেন। ছারপোকার জন্য সারারাত ঘুমাতে পারেননি। কেবিনের বেড সিট ও বালিশের কাভারে ময়লা থাকে বলে অভিযোগ করেন জাফর লিঙ্কন নামে আরেক যাত্রী।
জানতে চাইলে ফারহান ৪ লঞ্চের সুপারভাইজার জুলহাস হাতিয়া কন্ঠকে বলেন, “ছারপোকার বিষয়টিও পরে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লঞ্চে ফার্স্ট এইড বক্স ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র রয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়গুলো সমাধানে কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।” কেবিনে পানি পড়ার কারণ হিসেবে ওইদিন অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতকে দায়ী করেন তিনি









