৬০০ টাকায় শুরু, এখন ব্যবসা কোটি টাকার
- প্রকাশিত : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। ২:১০:১৮ পিএম
২০১৭ সালে অনলাইনে আম বিক্রি দিয়ে ব্যবসার শুরু মো. মাহমুদুন্নবী সোহাগের। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার এই যুবক এখন মাসে প্রায় কোটি টাকার তিন শতাধিক কৃষিপণ্য বিক্রি করেন। ঢাকায় তিনটিসহ মোট চারটি শাখা থেকে এসব পণ্য বিক্রি করা হয়। মৌসুমি ফল থেকে শুরু করে শীত কিংবা ঈদ ঘিরে আলাদা পণ্যও বিক্রি করেন তিনি। তাতে সব মিলিয়ে বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ কোটি টাকার বেশি।
সোহাগের ‘শতমূল এগ্রো’ নামের প্রতিষ্ঠানে এরই মধ্যে সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে ৪৭ জনের। আর চুক্তিভিত্তিক চাষি রয়েছেন ১৫০ জন। এ ছাড়া ৫০০ জন কৃষক থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য সংগ্রহ করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নাটোরের বড়াইগ্রাম আহমেদপুরে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ।
প্রতিষ্ঠানটি যেসব পণ্য বিক্রি করে, তার মধ্যে রয়েছে—চাল, ডাল, মসলা, ঘি, নিজস্ব খামারের গরু, মহিষ, মুরগি, হাঁস ও কোয়েলের মাংস। এ ছাড়া দুধ, চিংড়ি মাছ, খেজুরের গুড়, লাচ্ছা সেমাই, আম, বিভিন্ন মৌসুমি ফলসহ কয়েক শতাধিক কৃষিপণ্য। নিজেদের খামারে উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্য সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানটি। নিজস্ব আউটলেট ও অনলাইনে বিক্রির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সুপারশপ ও ব্যান্ডের দোকানে পণ্য সরবরাহ করে শতমূল এগ্রো।
ঢাকার বনশ্রীতে দুটি, উত্তরাতে ও বগুড়াতে একটি করে মোট চারটি আউটলেট রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। শতমূল এগ্রোর চালের চাতাল, শর্ষের মিল, দই ও লাচ্ছি কারখানা রয়েছে বগুড়ার শেরপুরে। মহিষের ও মাছের খামার রয়েছে বড়াইগ্রামে। পাবনার দাপুনিয়াতে রয়েছে গরু, ভেড়া, হাঁস ও মুরগির খামার।
















