শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের অভিযোগের পর হাতিয়ার পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদকে ঘিরে তদন্ত, গঠন হলো তিন সদস্যের কমিটি

সাইফুল ইসলাম তুহিন, জাহাজমারা ইউনিয়ন প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬। ১০:৩৬:০৮ এএম
  • / 31

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১২) ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মায়ের বক্তব্যসম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা খোরশেদ আলমকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত কমিটির প্রধান আহমেদ পেয়ার বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।

ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে নির্যাতন করেছেন। অভিযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এখন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

প্রধান সংবাদ | ১৬ জুন ২০২৬

ধর্ষণের অভিযোগের পর হাতিয়ার পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদকে ঘিরে তদন্ত, গঠন হলো তিন সদস্যের কমিটি

বিস্তারিত | hatiyakantha.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের করুন

ধর্ষণের অভিযোগের পর হাতিয়ার পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদকে ঘিরে তদন্ত, গঠন হলো তিন সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত : ০৪:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১২) ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মায়ের বক্তব্যসম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা খোরশেদ আলমকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত কমিটির প্রধান আহমেদ পেয়ার বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।

ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে নির্যাতন করেছেন। অভিযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এখন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

প্রধান সংবাদ | ১৬ জুন ২০২৬

ধর্ষণের অভিযোগের পর হাতিয়ার পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদকে ঘিরে তদন্ত, গঠন হলো তিন সদস্যের কমিটি

বিস্তারিত | hatiyakantha.com