শিরোনাম
প্রধান সংবাদ

হাতিয়ায় স্ত্রী খুন, স্বামী কাশেম পালাতক

আরও পড়ুন

নোয়াখালীর হাতিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার পর বাড়ির পাশের একটি শুকনো গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালানোর অভিযোগ উঠেছে মো. কাশেম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা মাইজছড়া এলাকা থেকে রোকসানা (২৫) নামে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমের কাছে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন।

নিহত রোকসানা সোনাদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরচেঙ্গা মাইজচরা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রোকসানা ও কাশেমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝগড়া-বিবাদ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে আবারও ঝগড়া হয়। এ সময় কাশেম তার স্ত্রীকে মারধর করেন। পরদিন সকালে রোকসানার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি শুকনো গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে স্থানীয় লোকজন রোকসানাকে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে হাতিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রোকসানার স্বামী মো. কাশেম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মেহেরাজ ও মিষ্টু গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগেও রড দিয়ে আঘাত করার কারণে রোকসানার চার মাসের গর্ভের সন্তান মারা যায়। আমাদের এলাকায় এভাবে চারজন গৃহবধূকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানি। পরে টাকা দিয়ে বিষয়গুলো মীমাংসা করা হয়। এসব ঘটনায় কাউকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গেলে হয়তো এমন ঘটনা আর ঘটত না।

হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ