সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে “ছেলে কৃষি কর্মকর্তা, বাবা পেলেন সারের ডিলারশিপ” শিরোনামে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার (মোহাম্মদ দাউদ) এবং আমার পিতা (মো. আব্দুল বাতেন)-এর নাম জড়িয়ে প্রভাব খাটানো ও স্বজনপ্রীতির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর এবং সত্যের অপলাপ।
প্রকৃত সত্য এই যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তমরদ্দি ইউনিয়নে সারের ডিলারের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। একজন স্বাধীন ব্যবসায়ী হিসেবে আমার পিতা মো. আব্দুল বাতেন তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স আইমান এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে বিধি মোতাবেক আবেদনপত্র জমা দেন। ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত যথাযথ কমিটি সকল আবেদনকারীর যোগ্যতা, আর্থিক সক্ষমতা এবং গুদামজাতকরণের সুবিধাসহ অন্যান্য শর্তাবলী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতে তাঁকে প্রাথমিক মনোনয়ন প্রদান করে।
আমি অত্র উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকলেও, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে বা বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের সাথে আমার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং প্রভাব খাটানোর কোনো সুযোগও নেই। একটি মহল ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং আমাদের সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে এই ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে।
আমরা এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
বিনীত,
মোহাম্মদ দাউদ (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা)
হাতিয়া, নোয়াখালী।





