নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুনুর রশিদ। তিনি বলেন,’আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে ছোট করা, কারও শিক্ষাগত যোগ্যতাকে খাটো করে দেখা কিংবা কাউকে অসম্মান করার জন্য আমি কথাগুলো বলিনি।’
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পাক্ষিক হাতিয়া কন্ঠকে পাঠানো এক বার্তায় মামুনুর রশিদ এসব কথা বলেন। এর আগে সোমবার (২ নভেম্বর) হাতিয়া কন্ঠের ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স। হাতিয়াতে আমার মতো যোগ্য-শিক্ষিত আর কেউ আসবে না।’
ওই ভিডিও’র কমেন্ট বক্সে হাতিয়ার আড়াইশোর বেশি মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। ৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি দেখেছেন প্রায় ৫০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী। রিয়েক্ট করেছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ।
মামুনুর রশিদ ভিডিও বক্তব্যের ব্যাখায় বলেন, ‘আমি আসলে এই ভিডিওর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছি যে, গত এক দশকে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিংবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে খুব একটা দেখিনি। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ কতটা দেখা যাবে, তা আমাদের জানা নেই।’
বুড়িরচরের তরুণ এই চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, ‘আমি কখনোই বোঝাতে চাইনি যে আমিই একমাত্র শিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি, কিংবা অন্যদের চেয়ে আলাদা। আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল শুধু একটি বিষয় তুলে ধরা—পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টি তুলনামূলকভাবে বিরল।’
কারও শিক্ষাগত যোগ্যতাকে খাটো করে দেখার জন্য এমন বক্তব্য দেওয়া হয়নি জানিয়ে মামুনুর রশিদ বলেন,’একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই, আমি শুধু আমার বক্তব্যের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বিষয় ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে চেয়েছি। আশা করি, সবাই আমার কথার মূল উদ্দেশ্যটি বুঝবেন।’