মামার বিরুদ্ধে ৪ বছরের ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ
- প্রকাশিত : সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬। ১:৩৫:১৭ এএম
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৪ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ছোটন চন্দ্র দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে বর্তমানে নোয়াখালী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চত করেছে হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল আলম। এর আগে শনিবার বিকেলে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ছোটন চন্দ্র দাস উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের রামচরণ এলাকার নিরব চন্দ্র দাসের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ছোটন চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে একটি সেলুনে কাজ শিখছিল এবং দোকান মালিকের চাচাতো শালা হওয়ায় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিল। ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটির মা পাশের বাড়িতে পানি আনতে গেলে শিশুটি ঘরের একটি খাটে শুয়ে ছিল। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দোকান মালিক ঘুমিয়ে ছিলেন।
আরও পড়ুন
মামার বিরুদ্ধে ৪ বছরের ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ
মাদুরোকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান চীনের
হঠাৎ শিশুটির চিৎকারে ঘুম ভেঙে গেলে দৌড়ে এসে দেখতে পান শিশুটি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। ছোটনকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে শিশুটি খাটে আঘাত পেয়েছে বলে দাবি করে এবং সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে কোলে নেওয়ার সময় তার শরীরের নিম্নাংশ থেকে রক্তক্ষরণ দেখতে পান তার বাবা।
তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব না হওয়ায় শিশুটিকে দ্রুত নোয়াখালী জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. ইউসুফ সোহাগ বলেন, “শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষায় দেখা যায় তার অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছি, কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
শিশুটির বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি আমার মেয়েকে কোলে নেওয়ার পর দেখি তার শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। তখনই বুঝতে পারি বড় কোনো অঘটন ঘটেছে। আমার নিষ্পাপ সন্তানের সঙ্গে এমন নৃশংস কাজ যারা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমার মেয়েটা যেন ন্যায়বিচার পায় এইটাই এখন আমার একমাত্র দাবি।”
এবিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে নোয়াখালীতে চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
প্রধান সংবাদ | ৪ জানুয়ারি ২০২৬
মামার বিরুদ্ধে ৪ বছরের ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ
















